ঝড়ের গতিতে ছুটে চলা দৈত্যাকার লরীতে ক্রমশ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

0
43
 এস.এম রিয়াদুল ইসলাম |  মঙ্গলবার, এপ্রিল ৬, ২০২১ |  ১২:০৩অপরাহ্ণ

ঝড়ের গতিতে ছুটে চলা কনটেইনারবাহী লরির কারনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত সুস্থ দেহ নিয়ে মরছে না হয় অঙ্গহানী হচ্ছে। সিটি গেইট হতে বারৈয়ারহাট পর্যন্ত সড়কের পাশে অবস্থিত শিল্প কারখানার এসব বিশালাকৃতির গাড়ি চলে দৈত্যের মতো। পুরো বডি লোহা দিয়ে তৈরি হওয়ায় ছোট গাড়ি গুলোকে পাত্তাই দেওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পথচারী বলেন, অনভিজ্ঞ ড্রাইভার দিয়ে চলছে আমাদের দেশের যানবাহনগুলো। তাই দুর্ঘটনা ঘটে সবসময়ই।

স্থানীয় যুবক আবুল খায়ের বলেন এসব স্ক্র্যাব মালবাহী গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হলে  সাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। দৈত্যাকার এই গাড়ি সরিয়ে নিতেও অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়।

এরকম একটি দুর্ঘটনা ঘটে গত রাতে সীতাকুণ্ড বাস স্ট্যান্ড এলাকায়। বিশাল একটি লরী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নামার বাজারে ঢুকে পড়ে। এসময় ৫ টি দোকান গুড়িয়ে দেয় গাড়িটি।রাতের বেলায় কোন দোকানদার না থাকায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে অনেকগুলো তাজা প্রাণ। কেননা জায়গাটিতে সবসময় মানুষের একটি জটলা সবসময় লেগে থাকে।

বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার  ওসি মো: নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন কন্টেইনারবাহী এসব গাড়ির গতি সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগের বেশি হলেই ক্ষতি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেশি গতিতে গাড়ি চালানোই দুর্ঘটনা বেশি হয়ে থাকে। হাঠাৎ পথচারি পড়ে গেলে তখন আর নিয়ন্ত্রনে থাকে না। আরেকটি বিষয় গাড়ি চলাচলের সময় ঘন ঘন লেন পরিবর্তন করা। কন্টেইনারবাহী লড়ির ক্ষেত্রে বিষয়গুলো গুরোত্বের সঙ্গে মেনে চলা উচিৎ। পাশাপাশি যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অসচেতন হয়ে সড়ক পারাপার ও চালকদের পরিমিত বিশ্রামের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতি আহবান জানান।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here